1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : raihan :
  3. [email protected] : sanowar :
  4. [email protected] : themesbazar :
আনুশকার বয়স দুই বছর কেন বাড়ালো পুলিশ? - Prothom News
বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১, ০১:৩৩ অপরাহ্ন

আনুশকার বয়স দুই বছর কেন বাড়ালো পুলিশ?

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৪ বার
Print Friendly, PDF & Email

প্রথম নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর কলাবাগানে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিনের (১৭) বয়স নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে আনুশকার বয়স ১৯ বছর। আর পরিবারের দাবি, তাদের মেয়ের বর্তমান বয়স ১৭ বছর ২ মাস। পরিবার বয়সের প্রমাণস্বরূপ পাসপোর্টের কপিও দেখিয়েছে। বয়স জটিলতা নিরসনে পুলিশের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বয়সের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে।

আনুশকারের বয়স জটিলতার বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ ব্রেকিংনিউজকে বলেছেন, ‘বয়স নির্ধারণের জন্য আমরা এক্স-রে বিভাগে পাঠিয়েছি। শুক্রবার এই বিভাগ বন্ধ থাকায় পুলিশ জানিয়েছে সেটা করতে পারেনি। যেহেতু এক্স-রে হয়নি তাই তার বডির (শরীর) গঠন দেখে, দাঁত দেখে এবং তার যে ডকুমেন্ট আছে সেগুলো দেখে আমরা একটা বয়স নির্ধারণ করতে পারবো। এখানে একটা ক্যালকুলেশনের ব্যাপার আছে। এখনই আমরা এ বিষয়ে বলবো না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে সাধারণত সার্টিফিকেটে বয়স কম থাকে, এক্ষেত্রে বয়স নির্ধারণ কিভাবে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের কাজ হলো তার প্রকৃত বয়সটা বের করা। যেহেতু আমরা এক্স-রে করতে পারিনি, তাই কিছু মাইলফলক আছে সেগুলো দেখে, তার ডকুমেন্টগুলো নিয়ে আমরা একটা বয়স বলতে পারবো।’

আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শনিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মোমবাতি হাতে মিছিলে বয়স নিয়ে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয়ে সহপাঠী মাস্টারমাইন্ড স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী নেহা জামান জানান, পাসপোর্টসহ সব জায়গায় মেয়েটির বয়স ১৭ বছর উল্লেখ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ১৯ বছর নির্ধারণ করা অনৈতিক। এছাড়া দিহানের বয়স ২১ হলেও মামলার কার্যক্রমে তার বয়স কম দেখানো হয়েছে। এতে করে তার ছাড় পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) আটক প্রধান অভিযুক্ত দিহান (১৮) আনুশকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে পুলিশকে জানায়, ধর্ষণের পরিকল্পনা আগেই করা ছিল। বন্ধু হলেও দুজনের প্রেমের সম্পর্ক বেশিদিন হয়নি। মাত্র তিন মাস হলো তাদের মধ্যে সম্পর্ক বয়স। গ্রুপ স্টাডির নাম করে আনুশকাকে ফোন করে কলাবাগান লেক সার্কাসের একটি বাসায় ডেকে নেয় সে। দুপুর ১২টা থেকে একটার মধ্যে আনুশকাকে ধর্ষণ করে দিহান। দুপুর একটার দিকে আনুশকার রক্তক্ষরণ বন্ধ না হলে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওইদিন চারজনকে আটক করে পুলিশ। ধর্ষণকারী একজন নাকি চারজন?— জানতে চাইলে কলাবাগান থানা পুলিশ জানায়, দিহান জানিয়েছে সে একাই ধর্ষণ করেছে। অবস্থা বেগতিক দেখে খবর পেয়ে বাকিরা এসেছে।

ঘটনার দিন রাতেই রাজধানীর কলাবাগান থানায় একটি মামলা করেছেন আনুশকার বাবা আল আমিন আহমেদ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ২ ধারায় দায়েরকৃত মামলার একমাত্র আসামি দিহান। ৯ এর ১ ধারায় ভুক্তভোগীর বয়সের বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও ২ ধারায় ভুক্তভোগীর বয়সের কোনো বিষয় উল্লেখ নেই।

২ ধারায় বলা আছে- যদি কোনও ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

আনুশকার বয়সের বিষয়ে জানতে চাইলে কলাবাগান থানার ওসি/তদন্ত আ স ম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মেয়েটাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তখন চিকিৎসকের রেজিস্ট্রারে ১৯ বছর লেখা ছিল। সুরতহাল প্রতিবেদন লেখার সময় হাসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেট দেখেই বয়স ১৯ লেখা হয়েছে। এরপরেও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকৃত বয়স নির্ধারণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা দেয়নি পুলিশ। এটা প্রাথমিক বয়সের রিপোর্ট। মেডিকেল থেকে বয়স নির্ধারিত হওয়ার পর তদন্তে আমরা বয়স ঠিক করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করবো।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের নিউ মার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান  বলেন, ‘বয়স নিয়ে কনফিউশানের কিছু নেই। এটা আমাদের সিনিয়র স্যাররা ক্লিয়ার করবেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় হাসপাতালের প্রাপ্ত তথ্য এবং ভিকটিমের নিকট আত্মীয়ের উপস্থিতি থেকে যে তথ্য পেয়েছি সেটাই সুরতহালে উপস্থাপন করেছি। মামলার ভিকটিমের পরিবার যে বয়সের (১৭) কথা বলেছে তা আমরা সন্নিবেশ করেছি। এরপরেও প্রকৃত বয়স নির্ধারণের জন্য চিকিৎসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।’

মামলার অভিযোগে যা বলা আছে:
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পরে তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

মামলার একমাত্র আসামি ও লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান।

দিহানের ৩ বন্ধুকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ:
ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত তানভীর ইফতেখার দিহানের ৩ বন্ধুকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

রমনা জোনের উপ-পুলিশ (ডিসি) কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন  বলেন, ‘আসামি দিহানও আদালতে বলেছে তার তিন বন্ধু এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আসামি নিজেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি দিহানের তিন বন্ধুর বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়।’

এছাড়া মামলার এজাহারে ও দিহান ছাড়া অন্য কাউকে আসামি করা হয়নি। তাদের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার কোনও সত্যতা না পাওয়ায় তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। মুচলেকা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে তুলে দেয়া হয় ৩ জনকে।

তবে তদন্তের স্বার্থে যেকোনও তথ্যের জন্য জিজ্ঞাসাবাদে তাদের ডাকা হতে পারে বলেও জানান সাজ্জাদ হোসেন।

ঘটনা সম্পর্কে যা বললেন দিহানের মা:
গত ৭ জানুয়ারি আমার বাসায় আমার ছেলে দিহান ও ওর বান্ধবীর ঘটনায় আমি হতবাক। একজন মা ও নারী হিসেবে এ ধরনের ঘটনা মেনে নেয়া খুবই কষ্টকর। এরপর গত দু’দিন আমি কোনও সংবাদমাধ্যমে কথা বলিনি। কারণ আমি পুরো ঘটনাটিকে প্রথমে বোঝার চেষ্টা করেছি। দিহানের বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আমার ছেলের ধর্ষক এবং হত্যার উদ্দেশ্য ছিল কি-না তা মা হিসেবে জানার চেষ্টা করেছি। কারণ একজন নারী হিসেবে কোনও কিশোরীর অসম্মান হোক বা ধর্ষিত হোক সেটা কখনও চাই না।

গত ৭ জানুয়ারি সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমি আমার অসুস্থ পিতাকে দেখতে যাওয়ার জন্য দিহানকে বাসায় একা রেখে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা হই। আমার অন্য ছেলে নিজের কর্মস্থলে ছিল। যমুনা সেতু পার হওয়ার পর বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে প্রাথমিকভাবে জানতে পারি মডার্ন হাসপাতালে দিহানের বান্ধবী মারা গেছে। সে কারণে দিহানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। দ্রুত ঢাকায় এসে দেখি পুলিশ আমার বাসায়। জানলাম মেয়েটি আমার বাসায় দিহানের সঙ্গে দেখা করতে এসে ধর্ষিত হয়েছে এবং মারা গেছে।

মা হিসেবে আরও আগে থেকেই একটু আন্দাজ করতে পেরেছি, আমার ছেলে কোনও একটি সম্পর্কে জড়িয়েছে। কিন্তু কোন মেয়ের সাথে তা জানা ছিল না। তবে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে মেয়েটির নামের ফেসবুক আইডিতে দিহানের সাথে ঘনিষ্ঠ ছবি, দিহানকে নিয়ে কবিতা লিখা ইত্যাদি দেখে মনে হলো এই মেয়েটির সঙ্গেই দিহান সম্পর্কে জড়িয়েছে। আমি ধারণা করছি আমি বাসা থেকে বের হওয়ার পর দিহান মেয়েটির সাথে যোগাযোগ করলে মেয়েটি আমার বাসায় আসে। দিহানের সাথে বিশ্বস্ততার সম্পর্ক ছিল বিধায় মেয়েটি আমার বাসায় এসেছিল।

আমি মনে করি ধর্ষণ বা হত্যার উদ্দেশ্যে দিহান মেয়েটিকে বাসায় ডাকেনি। একজন আরেকজনকে ভালোবাসে, সেই হিসেবে একান্তভাবে সময় কাটানোর জন্যই হয়ত ডেকেছিল। উভয়ের বয়স কম, একজন নাবালিকা এবং আমার ছেলেরও বয়স ১৮ বছর ৭ মাস অর্থাৎ কিশোর। আবেগের বসে উভয়েই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছিল এবং অপরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছে। পরবর্তীতে যা হয়েছে তা নিতান্তই দুর্ঘটনা মনে হচ্ছে। আমার ছেলে ধর্ষক বা হত্যাকারী হলে সে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করতো, কিন্তু সে তা করেনি। সে নিজে গাড়ি করে মেয়েটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। মেয়েটির মাকে ফোন করেছে, পুলিশের কাছে ঘটনা স্বীকার করেছে।

আমার ছেলে যদি মেয়েটির সাথে অন্যায় করে তাহলে একজন নারী হিসেবে আমিও আমার ছেলের যথাযথ বিচার হোক সেটা চাই। কিন্তু মেয়েটির ইচ্ছায় শারীরিক সম্পর্ক হয়েছিল কিনা এবং একমাত্র শারীরিক সম্পর্কের কারণেই রক্তক্ষরণ ও মৃত্যু হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ প্রশাসনের ওপর আমি বিশ্বাস রাখতে চাই এবং বিচার বিভাগের ওপর আস্থা রাখতে চাই। বিচারের আগে আমার ছেলেকে ধর্ষক বা হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত না করার জন্য সমাজের সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

আদালতে জবানবন্দি শেষে কারাগারে দিহান:
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে গত শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) তানভীর ইফতেখার দিহান জবানবন্দি দেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে ওইদিন দুপুরে তানভীরকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করে কলাবাগান থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, এই মামলায় গ্রেফতার আসামিকে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য আবেদন করে কলাবাগান থানা পুলিশ। আসামি আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মোমবাতি হাতে মিছিল করলো সহপাঠীরা:
আনুশকাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মোমবাতি হাতে মিছিল করেছে সহপাঠীরা। শনিবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডি-২৭ নম্বরের সাম্পান রেস্তোরাঁর সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ করেন তারা। এরপর সেখান থেকে একটি মিছিল শুরু হয়ে রবীন্দ্র সরোবরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

এই সময় অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়। যারা এই অন্যায়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল অনতিবিলম্বে তাদেরও সাজা নিশ্চিতের দাবি তোলা হয়। এছাড়া ধর্ষকের পক্ষে যারা যুক্তি দিচ্ছে এবং মেয়েটির পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে তাদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। কর্মসূচিতে মাস্টারমাইন্ড, ম্যাপেল লিফ, স্কলাস্টিকাসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...

ফেসবুকে আমরা…

© All rights reserved © 2020, prothomnews.com.bd