1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : raihan :
  3. [email protected] : sanowar :
  4. [email protected] : themesbazar :
"বিচারিক প্রহসন থেকে আইনজীবীরা মুক্তি চায়" - Prothom News
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন

“বিচারিক প্রহসন থেকে আইনজীবীরা মুক্তি চায়”

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১
  • ১০২ বার
বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট ও অ্যাডভোকেট জহুরা খাতুন জুইঁ: ফাইল ফটো
Print Friendly, PDF & Email

প্রথম নিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী জহুরা খাতুন জুঁই তার ফেইজবুক আইডিতে বর্তমানে বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তহীনতায় সৃষ্ট সঙ্কট, বিচার প্রার্থী ও আইজীবীদের সমস্যা তুলে ধরেছেন। তার স্টাটাস নিচে আমরা হুবহু তুলে ধরলাম।

“ন্যায়বিচার কায়েমের লক্ষ্যে লকডাউনকালীন সময়ে সুপ্রিমকোর্টের সকল বেঞ্চগুলো ভার্চুয়ালী চালু রাখা একান্ত আবশ্যক। কারণ লক ডাউনের পূর্বে লিষ্টে থাকা মামলাগুলো শুনানী করতে না পারায় অনেক হাজতী আসামীই বিনা বিচারে জেল খাটছে দীর্ঘদিন যাবৎ।

অন্যদিকে নির্ধারিত চলমান ভার্চুয়াল কোর্টে মোশন শুনানির মাধ্যমে অনেক আসামীই জামিন লাভ করতে পারলেও একই মামলায় রুল হেয়ারিং ও অন্যান্য কারণে পেন্ডিং থাকা মামলার আসামীর জামিন আটকে আছে দিনের পর দিন। যার ফলে আইনজীবীদের প্রতি আসামী এবং তদ্বিরকারকদের বিরুপ আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

দৈনিক কার্যতালিকায় থাকা মামলাগুলো In ree, Not today, Not this week এর কারণে প্রতিদিন কার্যতালিকায় নতুনভাবে স্থান পায়। এছাড়া জুনিয়রদের চাইতে বিজ্ঞ সিনিয়র, প্রভাবশালী নেতাদের, বারের নেতাদের মেনশন এ্যালাও করার ফলে লিষ্টে থাকা অনেক কাংখিত মামলাই যথাসময়ে শুনানি করা সম্ভব হয়না। যে সকল মামলা সপ্তাহে ১ দিন অথবা ২ দিন শুনানি হয় সেক্ষেত্রে ভোগান্তির মাত্রাও অত্যাধিক।

লকডাউনের ফলে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিনা বিচারে জেলখানায় আটক আসামীরা মানসিক অশান্তিতে দিনাতিপাত করছে, যার ফলে এর প্রভাব আসামীদের পরিবার এবং আইনজীবীদের উপর ও পরোক্ষভাবে পরছে।

তাই বিচারিক প্রহসনের এই ভোগান্তি থেকে আইনজীবী ও ন্যায় বিচার প্রার্থী সকলেই মুক্তি চায়।

মাননীয় প্রধান বিচারপতির ভাষ্যমতে – আইন পেশা একটি সেবামূলক পেশা যা বর্তমানে ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। এবং তিনি দশ শতাংশ মামলা ফ্রিতে অর্থাৎ বিনা পয়সায় করার পরামর্শ ও দিয়েছেন।

কিন্তু কিছু প্রশ্ন থেকেই যাই-
* বিচারিক প্রহসনের এই অবস্থায় ইচ্ছা থাকলেও আইনজীবীদের পক্ষে সেবা দেয়া আদৌ কি সম্ভব হচ্ছে? না বিচার প্রার্থীরা সেবা পাচ্ছে?
* অর্থের লেনদেনে জামিন বাণিজ্য যেখানে বৈধতা পেয়ে মুষ্টিমেয় ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত হয়ে পরেছে , সেখানে পেশাটা কি আসলে সেবার পর্যায়ে আছে না থাকা সম্ভব?
* পেশা থেকে অর্থ উপার্জন করা যেখানে দূর্বিষহ হয়ে পরেছে, সেখানে বিনা পয়সায় মামলা করার আদৌ কি কোন সুযোগ রয়েছে ?
* মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগী আইনজীবী যেখানে সরকারী পরিসেবায় ব্যস্ত, তারা কি বিনা পয়সায় সার্বজনীন সেবা দিতে ইচ্ছুক? না তাদের পক্ষে সেই সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব?
* সেবা প্রদানে ইচ্ছুক আইনজীবীরা কি রাষ্ট্রীয় কোন সুবিধা পাচ্ছে না পাওয়ার সম্ভাবনা আছে?

সেবামূলক পেশাটাকে ব্যবসায় পরিণত করার ক্ষেত্রে নীতি নির্ধারনী সংস্থা ও বিচারিক প্রশাসনের দায় কি এড়ানো যায়? যায়না।
তাই সেবামূলক সংস্থার পেশাজীবি হিসেবে এই প্রহসনের রাজত্ব থেকে সবাই মুক্তি চাই/চায় ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।

জহুরা খাতুন জুঁই
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট।
সাবেক কার্যকরী সদস্য, ঢাকা আইনজীবী সমিতি।

নিউজটি শেয়ার করুন...

4 responses to ““বিচারিক প্রহসন থেকে আইনজীবীরা মুক্তি চায়””

  1. hydroxychloroquine positive results

    tournament thyroid hormone everybody

  2. where to buy hydroxychloroquine

    "বিচারিক প্রহসন থেকে আইনজীবীরা মুক্তি চায়" – Prothom News

  3. hydroxychloroquine 200mg pills

    trial high blood pressure cognitive

  4. This is a topic close to my heart cheers, where are your contact details though?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...
© All rights reserved © 2020, prothomnews.com.bd